জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য, সুনামগঞ্জ জেলা জমিয়তের সহ সভাপতি মাওলানা মুশতাক আহমদ গাজীনগরী’র (৫২) লাশ উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশের হাতে আটক জমিয়তের অন্য গ্রুপের আব্দুল হাফিজের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।
ধৃত আব্দুল হাফিজের দরগাপুর গ্রামের আলিফ পাঠানের ছেলে এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর অন্য গ্রুপের শান্তিগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক।
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে মাওলানা মুশতাক আহমদের স্ত্রী রুবি বেগম বাদী হয়ে দিরাই থানায় হত্যা মামলা (নং-০৩) দায়ের করলে সোমবার ভোররাতে সিলেটে নগরীর টিলাগড় থেকে আব্দুল হাফিজকে আটক করে দিরাই থানা পুলিশ।
সোমবার বিকেল সাড়ে তিন টায় আব্দুল হাফিজ (৪০) কে কঠোর নিরাপত্তায় দিরাই জোনের আমলগ্রহণকারী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়।
আদালতের বিচারক এসএম শাফায়াত ছালাম আগামীকাল ১০ সেপ্টেম্বর বুধবার শুনানির দিন ধার্য করেছেন। এদিকে আব্দুল হাফিজের ফাঁসির দাবিতে মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা আদালত চত্বরে বিক্ষোভ করেছেন।
এসময় বিক্ষুব্দ নেতাকর্মীরা আব্দুল হাফিজের দিকে ডিম ছুড়ে মারে। দিরাই থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মাওলানা মুস্তাক আহমদের মৃত্যুর ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে এবং আব্দুল হাফিজকে সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আদালতে ৭ দিনের রিমাণ্ডের আবেদন করা হয়েছে। ’
পুলিশের সুনামগঞ্জ আদালতের পরিদর্শক মো. আকবর হোসেন বলেন, মাওলানা মুস্তাক আহমদের মৃত্যুর ঘটনায় থানায় গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল হাফিজকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে ৭ দিনের রিমাণ্ডের আবেদন করেছেন। আদালত আগামীকাল বুধবার রিমাণ্ড শুনানীর দিন ধার্য করেছেন।
মতামত