মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
সিলেটের বার্তা ২৪

ক্লুলেস গণধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন করলো দক্ষিণ সুরমা পুলিশ, আটক ৪ লম্পট



ক্লুলেস গণধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন করলো দক্ষিণ সুরমা পুলিশ, আটক ৪ লম্পট

সিলেটে ক্লুলেস গণধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে অবশেষে ৪ লম্পটকে আটক করা হয়।

সিএনজি অটোরিকশা চালক আর যাত্রীবেশে থাকা চার লম্পট এক তরুণী যাত্রীকে গণধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো-সুরমান খান (৩০) গ্রেফতার করে পুলিশ। তাহাকে জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একে একে সোহেল মিয়া (২৮) জামাল খাঁন (৩৫) ও সাইফুর রহমান বাবুল (২৩) কে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা সকলেই সিলেটের ওসমানী নগরের বাসিন্দা।

বিষয়টি আজ শনিবার (২০ মার্চ) দুপুরে নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ১৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন রশিদ চত্বর থেকে এক তরুণীকে চন্ডিপুল পৌছে দেওয়ার কথা বলে সিএনজি চালিত অটোরিকশায় তুলে চার যুবক। তবে চন্ডিপুলে না নামিয়ে তরুণীকে জোরপূর্বক অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে যায় তারা। সেখাতে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ওই তরুণীকে রাত সাড়ে ৯টায় অটোরিকশায় করে লালাবাজারের পাশে নামিয়ে দিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ২০ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ সুরমা থানায় মামলা করেন আক্রান্ত তরুণীর বোন। দক্ষিণ সুরমায় অটোরিকশায় তুলে নিয়েএরপর পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে সক্ষম হয়।

ওসি মো: মনিরুল ইসলাম গত বৃহস্পতিবার ধর্ষণের ঘটনায় প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানান, ওসমানীনগর থানাধীন চন্ডীত্তীয়র গ্রামের কালা চাঁদের তলার দক্ষিণ পাশে রুনি হাওড় নামক স্থানে খালি জমিনে নিয়ে ওই তরুণীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তারা।

এরপর শুক্রবার গ্রেফতারকৃত সোহেল মিয়া, জামাল খাঁন (৩৫) ও সাইফুর রহমান বাবুল (২৩) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

সিলেটের বার্তা ২৪

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ক্লুলেস গণধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন করলো দক্ষিণ সুরমা পুলিশ, আটক ৪ লম্পট

প্রকাশের তারিখ : ২০ মার্চ ২০২১

featured Image

সিলেটে ক্লুলেস গণধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে অবশেষে ৪ লম্পটকে আটক করা হয়।

সিএনজি অটোরিকশা চালক আর যাত্রীবেশে থাকা চার লম্পট এক তরুণী যাত্রীকে গণধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো-সুরমান খান (৩০) গ্রেফতার করে পুলিশ। তাহাকে জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একে একে সোহেল মিয়া (২৮) জামাল খাঁন (৩৫) ও সাইফুর রহমান বাবুল (২৩) কে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা সকলেই সিলেটের ওসমানী নগরের বাসিন্দা।

বিষয়টি আজ শনিবার (২০ মার্চ) দুপুরে নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ১৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন রশিদ চত্বর থেকে এক তরুণীকে চন্ডিপুল পৌছে দেওয়ার কথা বলে সিএনজি চালিত অটোরিকশায় তুলে চার যুবক। তবে চন্ডিপুলে না নামিয়ে তরুণীকে জোরপূর্বক অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে যায় তারা। সেখাতে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ওই তরুণীকে রাত সাড়ে ৯টায় অটোরিকশায় করে লালাবাজারের পাশে নামিয়ে দিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ২০ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ সুরমা থানায় মামলা করেন আক্রান্ত তরুণীর বোন। দক্ষিণ সুরমায় অটোরিকশায় তুলে নিয়েএরপর পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে সক্ষম হয়।

ওসি মো: মনিরুল ইসলাম গত বৃহস্পতিবার ধর্ষণের ঘটনায় প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানান, ওসমানীনগর থানাধীন চন্ডীত্তীয়র গ্রামের কালা চাঁদের তলার দক্ষিণ পাশে রুনি হাওড় নামক স্থানে খালি জমিনে নিয়ে ওই তরুণীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তারা।

এরপর শুক্রবার গ্রেফতারকৃত সোহেল মিয়া, জামাল খাঁন (৩৫) ও সাইফুর রহমান বাবুল (২৩) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।


সিলেটের বার্তা ২৪

প্রকাশক: মোঃ আব্দুর রহমান
সম্পাদক: আতিকুর রহমান নগরী
উপদেষ্টা মণ্ডলী: মাওলানা জসিম উদ্দিন (ইউকে), রোটা. এএসএম আরিফ হোসেন, মোঃ নান্নু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সিলেটের বার্তা ২৪
ক্লুলেস গণধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন করলো দক্ষিণ সুরমা পুলিশ, আটক ৪ লম্পট
0:00 0:00
1.0x