উঠতি বয়সি তরুণ হাফেজ আনওয়ার হোসাইন তার তেলাওয়াতের মাধুর্যের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত ছড়িয়ে যাচ্ছেন কুরআনের আলো।
সুললিত কণ্ঠ আকর্ষণ কাড়ে মুসল্লিদের। প্রিয় হাফেজ সাহেবের প্রতি মুসল্লিদের বুকভরা ভালোবাসা জানান দেয় মহাগ্রন্থ আল কুরআনের সংস্পর্শে এলেই অন্তরে অনুভূত হয় অন্যরকম এ ভালো লাগা। সেই ভালোলাগারপাত্র হাফেজ আনওয়ার।
সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ৭নং ইউনিয়নের কায়স্তগ্রামের মরহুম মাওলানা শরীফ আহমদের বড় ছেলে আনওয়ার। গর্বিত পিতা যদি আজ জীবিত থাকতেন তাহলে ছেলের প্রতি এই ভালবাসা তিনি স্বচক্ষে অবলোকন করতেন।
হেরা গুহা থেকে বিশ্ব মানবতার পথের দিশারী, ঐশীগ্রন্থ আল কুরআন নাজিলের শুভ সূচনা হলো।কুরআনকে বক্ষে ধারণ করে যুগযুগ ধরে বেশুমার লোক এর হাফেজ হচ্ছেন। কুরআন নাজিলের মাস রমজানে এর চর্চা যেনো বাকি ১১মাসের তুলনায় বেড়ে যায় দ্বীগুন। মসজিদে মসজিদে তারাবির নামাজের মাধ্যমে খতমে কুরআনের চর্চা মুসলিম উম্মাহকে কুরআনপ্রমী হতে উৎসাহিত করে।
কুরআন নাজিলের এই মাসে নতুন শতাব্দীর দৈনিক শ্যামল সিলেট এবার 'সালাতুত তারাবির' নামাজে ইমামতির দায়িত্ব পালনকারী হাফেজে কুরআনদের অনুভূতির কথা পাঠকদের সামনে তুলে ধরতে এই 'আলোর পরশমণি'র আয়োজন করেছে।
আজকের প্রতিবেদনটি হাফেজ আনওয়ারকে নিয়ে। তিনি সিলেট নগরীর অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামেয়া ইসলামিয়া ফরিদাবাদ থেকে কৃতিত্বের সাথে কুরআনুল কারিমের হিফজ সম্পন্ন করেন।
তিনি হিফজ তাকমিলের পরীক্ষা কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড আযাদ দ্বীনি এদারায়ে বাংলাদেশ ও বেফাকুল মাদারিস আরাবিয়া বাংলাদেশের বোর্ড পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে 'এ প্লাস' পেয়ে মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ হন।
সপ্তমবারের মতো এবছর সিলেট নগরীর শাহপরাণ রহঃ আবাসিক এলাকায় পবিত্র রমজানে খতমে তারাবীতে ইমামতি করছেন।
এর আগে প্রথম তিনবছর নিজ গ্রাম কানাইঘাটের কায়স্তগ্রামে এবং পরে দুইবছর জৈন্তাপুর উপজেলার সারিঘাটে একবছর কানাইঘাটের রাজাগঞ্জস্থ ফতেহগঞ্জ মসজিদে তারাবির নামাজে ইমামতি করেছেন।
তারাবির নামাজে ইমামতির অনুভূতি জানতে চাইলে হাফেজ আনওয়ার বলেন, হৃদয় ভরে উঠে। আত্মার প্রশান্তি মিলে। কোন ভাষায় তা প্রকাশ করবো আসলে আমি নিজেই বুঝে উঠতে পারছি না। মুসল্লিদের ভালোবাসা সত্যি অবর্ণনীয়। যা নিতান্তই কুরআনের মুহাব্বতের বহিঃপ্রকাশ।
মতামত