সিলেটের জৈন্তাপুরে বসতঘরে ঢুকে হামলা করে অন্তত ৮ জনকে আহত এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত রবিবার (১৫ মার্চ) বিকালে জৈন্তাপুরের ফতেপুর ইউনিয়নের অর্ন্তগত হেমু ভাটপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মালিক এর ছেলে মোঃ শামীম আহমদ এর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনার পর জৈন্তাপুর থানায় মোঃ শামীম আহমদ (৩৮) লিখিত অভিযোগ (নং-২২) দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রোকিয়া বেগম স্বামী মৃত ইলিয়াস আলী, ১৩ মার্চ উনার বসত ভিটা রক্ষার করতে জৈন্তাপুর মডেল থানায় লিখতে অভিযোগ করেন, সেই ৩ জন শাক্ষি দেন ১৫ মার্চ অভিযোগের তদন্তের জন্য এস আই কিবরিয়া ঘটনা স্থলে এসে অভিযুক্ত ব্যাক্তি ও বাদি রোকিয়া বেগম সহ অপর সাক্ষি মোঃ শামীম আহমদকে ওসির বার্তা পৌছে দেন, ১৬ মার্চ বাড়ির সবাই যেনো জমির কাগজপত্র নিয়ে ইফতার পরে ওসি স্যারের সাথে দেখা করেন অসি স্যার একটি সুন্দর সমাধান দিবেন, এই তদন্ত কর্মকতা বাদি বিবাদি ও সাক্ষিদের কোন রকম ঝামেলা না করার অনুরোধ করে চলে যান।
তদন্ত কর্মকর্তা চলে যাওয়া পরেই বাদি রোকিয়া বেগম ও তার ছেলে সহ শাক্ষি মোঃ শামীম আহমদ কে কটাক্ষ ভাষায় গালাগালি শুরু করে এক পযার্য়ে একি বাড়ির মোহাম্মদ আলী (৪৪), নুর উদ্দিন (লেংড়া) (৪৫), লোকমান আহমদ (২৮), ময়না মিয়া (৫৫), সমছুল ইসলাম (৫৭), ইব্রাহিম আলী (২৭), জয়নাল আবেদীন (৪৭), আবু বক্কর (১৯) ও রকিব আহমদ (৫৫)-দের জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। বিকাল ৫টার দিকে অভিযুক্তরা বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে মোঃ শামীম আহমদ এর বসত করে হামলা চালায়।
এ সময় সেখানে উপস্থিত থাকা শামীমকে বেধড়ক মারপিট শুরু করলো শামীম আহমদ এর স্ত্রী মিম আক্তার বোন রোজিনা সহ পরিবারের সদস্যরা বাঁচাতে আসলে তাদেরকেও মারধর করা হয়।
মিম আক্তার এর পায়ে সাভলের আঘাত করা হয়,কোন মতে প্রাণে বেঁচে গেলে ও রোজিনা বেগম এর মাথায় দ্যা দিয়ে আঘাত করা হয়।
এছাড়াও ঘরে থাকা ৭০ হাজার টাকা এবং ১ লাখ ১০ দশ হাজার মূল্যের স্বর্ণের চেইন লুট করে নিয়ে যায় হামলাকারীরা। এদিকে, হামলার সময় মারধরের শিকার ভুক্তিভোগীদের চিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে আহতদের জৈন্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে আহত, রোজিনা বেগম, মীম আক্তার, সেলিম আহমদ ও ফয়েজ আহমদ-এর রোকিয়া বেগম মোঃ শামীম আহমদ এর অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এদের মধ্যে রোজিনা বেগম বর্তমানে ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ বিষয়ে জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি।
মতামত