শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
সিলেটের বার্তা ২৪

বিয়ানীবাজারে উপজেলা ও পৌর প্রশাসক হচ্ছেন কারা?



বিয়ানীবাজারে উপজেলা ও পৌর প্রশাসক হচ্ছেন কারা?

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করার লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার।

ইতোমধ্যে দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের পর এবার উপজেলা ও পৌর পর্যায়ে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

এমন ঘোষণার পর বিয়ানীবাজারে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক তৎপরতা ও লবিং। রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সাধারণ মানুষের আড্ডা—এখন একটাই আলোচনার বিষয়: কে হচ্ছেন উপজেলা বা পৌর প্রশাসক?

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের প্রশাসক পদের জন্য দলীয় হাইকমান্ড একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করেছে।

গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই তালিকায় রয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আহমদ রেজা, সাবেক সভাপতি নজমুল হোসেন পুতুল এবং সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার হোসেন। তারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দলীয় পর্যায়ে যোগাযোগ ও লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে, বিয়ানীবাজার পৌরসভার প্রশাসক পদ নিয়েও চলছে জোর আলোচনা।

সম্ভাব্যদের তালিকায় রয়েছেন পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু নাসের পিন্টু, বর্তমান সভাপতি মিজানুর রহমান রুমেল, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সবুর, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য নজরুল হোসেন, জেলা বিএনপির সহ-স্থানীয় সরকার সম্পাদক এনাম উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন এবং মিছবাহ উদ্দিন।

জানা গেছে, এবারের প্রশাসক নিয়োগে প্রার্থীদের অতীত রেকর্ড, দলীয় আনুগত্য এবং জনসাধারণের কাছে গ্রহণযোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রার্থীদের সামাজিক অবস্থান, এলাকায় প্রভাব এবং পূর্বের কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করে বিশেষ প্রতিবেদন তৈরি করেছে। কোনো নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

এ বিষয়ে বিয়ানীবাজার পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজমুল হোসেন বলেন, “দলের ত্যাগী ও দায়িত্বশীল নেতাদের তথ্য দলীয় হাইকমান্ডের কাছে রয়েছে। কেন্দ্র থেকে যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তাকে নিয়েই সবাই কাজ করবেন।”

উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির শিশু বিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিক আহমদও একই মত প্রকাশ করে বলেন, “ত্যাগী ও গ্রহণযোগ্য নেতাদের মধ্য থেকেই প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হবে। দলের নীতিনির্ধারকরা প্রার্থীদের অতীত ও বর্তমান কার্যক্রম বিশ্লেষণ করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।”

সবমিলিয়ে, বিয়ানীবাজারে প্রশাসক নিয়োগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা ও কৌতূহল ক্রমেই বাড়ছে। এখন সবার দৃষ্টি কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

সিলেটের বার্তা ২৪

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বিয়ানীবাজারে উপজেলা ও পৌর প্রশাসক হচ্ছেন কারা?

প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬

featured Image

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করার লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার।

ইতোমধ্যে দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের পর এবার উপজেলা ও পৌর পর্যায়ে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

এমন ঘোষণার পর বিয়ানীবাজারে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক তৎপরতা ও লবিং। রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সাধারণ মানুষের আড্ডা—এখন একটাই আলোচনার বিষয়: কে হচ্ছেন উপজেলা বা পৌর প্রশাসক?

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের প্রশাসক পদের জন্য দলীয় হাইকমান্ড একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করেছে।

গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই তালিকায় রয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আহমদ রেজা, সাবেক সভাপতি নজমুল হোসেন পুতুল এবং সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার হোসেন। তারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দলীয় পর্যায়ে যোগাযোগ ও লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে, বিয়ানীবাজার পৌরসভার প্রশাসক পদ নিয়েও চলছে জোর আলোচনা।

সম্ভাব্যদের তালিকায় রয়েছেন পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু নাসের পিন্টু, বর্তমান সভাপতি মিজানুর রহমান রুমেল, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সবুর, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য নজরুল হোসেন, জেলা বিএনপির সহ-স্থানীয় সরকার সম্পাদক এনাম উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন এবং মিছবাহ উদ্দিন।

জানা গেছে, এবারের প্রশাসক নিয়োগে প্রার্থীদের অতীত রেকর্ড, দলীয় আনুগত্য এবং জনসাধারণের কাছে গ্রহণযোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রার্থীদের সামাজিক অবস্থান, এলাকায় প্রভাব এবং পূর্বের কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করে বিশেষ প্রতিবেদন তৈরি করেছে। কোনো নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

এ বিষয়ে বিয়ানীবাজার পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজমুল হোসেন বলেন, “দলের ত্যাগী ও দায়িত্বশীল নেতাদের তথ্য দলীয় হাইকমান্ডের কাছে রয়েছে। কেন্দ্র থেকে যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তাকে নিয়েই সবাই কাজ করবেন।”

উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির শিশু বিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিক আহমদও একই মত প্রকাশ করে বলেন, “ত্যাগী ও গ্রহণযোগ্য নেতাদের মধ্য থেকেই প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হবে। দলের নীতিনির্ধারকরা প্রার্থীদের অতীত ও বর্তমান কার্যক্রম বিশ্লেষণ করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।”

সবমিলিয়ে, বিয়ানীবাজারে প্রশাসক নিয়োগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা ও কৌতূহল ক্রমেই বাড়ছে। এখন সবার দৃষ্টি কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে।


সিলেটের বার্তা ২৪

প্রকাশক: মোঃ আব্দুর রহমান
সম্পাদক: আতিকুর রহমান নগরী
উপদেষ্টা মণ্ডলী: মাওলানা জসিম উদ্দিন (ইউকে), রোটা. এএসএম আরিফ হোসেন, মোঃ নান্নু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সিলেটের বার্তা ২৪